ডিজিটাল লিটেরেসির ফলে বাড়ে মস্তিষ্কের কগনিটিভ নেটওয়ার্ক অর্থাত্ তা বাড়িয়ে তোলে স্মৃতিশক্তি। ফলে নতুন প্রজন্মে কমতে পারে ডিমেনশিয়ার সম্ভাবনা। প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে দ্য জার্নালস অফ জেরোনটোলজি, সিরিজ এ: মেডিক্যাল সায়ন্সেসে।
এ জার্নালে ইন্টারনেট, ই-মেইল ব্যবহার এবং স্মরণশক্তি এ দুইয়ের মধ্যে একটা আন্তঃসম্পর্ক দেখানো হয়েছে। গবেষণায় অংশগ্রহণ করা ব্যক্তিদের ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে অধিক সম্পদ, শিক্ষা এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের স্মৃতিশক্তি বেশী।
ইউনিভার্সিটি অফ সান ফ্রান্সিসকো-এর একই ধরনের আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে পূর্ণ বয়স্ক একজন ব্যক্তির ১২ ঘণ্টার শারীরিক ও মানসিক উভয় প্রকার কর্মতৎপরতা, ৩ ঘণ্টা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর কর্মতৎপরতার সমান!
অবশ্য এটা সঠিক নয় যে, অধিক কম্পিউটার বা ইন্টারনেট ব্যবহার করা সবসময় মঙ্গল বয়ে আনবে! বিশেষজ্ঞরা এটাও উল্লেখ করেছেন যে, কম্পিউটার, ক্যামেরা, স্মার্টফোন ইত্যাদি আমাদের সঠিক সময়ে নির্দিষ্ট তথ্য উদ্ধার করতে বাধার কারণ হয়েও দাঁড়ায়। এরকম বিভিন্ন গ্যাজেট আমাদের ডিস্ট্র্যাকশনেরও কারণ।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Thank you very much.