মানবিক কারণে ভারতকে ট্রানজিট দেয়ার পক্ষে শেখ হাসিনা ,তবে ফেলানীকে ঝুলিয়ে রাখার সময় মানবতা কই ছিল?এভাবে প্রতিদিন মানুষ মারা যাচ্ছে তখন তোদের এই মানবতা কই থাকেরে?মানবতা কি অন্যর পা চেটে করতে হয় ??
মানবিক কারণে ভারতকে ট্রানজিট দেয়ার পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে এক্ষেত্রে তিনি অবকাঠামো উন্নয়নের কথা বলেছেন। ভারত তাতে সহযোগিতা দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। শনিবার নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে আলাদা বৈঠকে এ সব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠক সম্পর্কে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাংবাদিক সম্মেলনে আরও বলেছেন, সারদা চিট ফান্ডের অর্থ জামায়াতে ইসলামীর কাছে আসার যে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে সে সম্পর্কে ভারত কিছুই জানে না। তিনি পুনর্বার একথা জানালেন। সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক তার কাছে জানতে চান, নিউজএক্স‘কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে, সন্ত্রাসের বিষয়ে ভারতের জন্য বাংলাদেশ যা করেছে ভারতও সে রকম করুক- এমনটা প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ। দু’ প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে এ বিষয়টি কি তুলে ধরা হয়েছিল? বাংলাদেশে একটি সংগঠনকে সারদা চিট ফান্ডের অর্থ দেয়ার বিষয়টিতে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে? জবাবে মুখপাত্র বলেন, এ নিয়ে আমাকে এ প্রশ্ন করা হলো চারবার। এর আগে তিনবার আমি বলেছি এ বিষয়টি কখনও উত্থাপিত হয় নি। শনিবারের বৈঠকেও তা আলোচনা হয় নি। যখন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিল্লি সফর করেছেন তখনও এ বিষয়টি উত্থাপিত হয় নি। এ বিষয়ে তখনও আমাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। আমি তখনও বলেছি, এ বিষয়টি উত্থাপিত হয় নি। কিছু সংবাদ মাধ্যম এ বিষয়ে খবর প্রচার করেছে। আমি নিশ্চিত যে, আমাদের ঢাকা মিশন থেকেও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কেও এ বিষয়ে কোন রিপোর্ট দেয়া হয় নি। সুতরাং আমি আরও একবার পরিষ্কার করে বলছি, এ বিষয়টি বৈঠকে আলোচনা করা হয় নি। এক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র বলেন, দু’দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ছিল অত্যন্ত উষ্ণ ও সৌহার্দ্যতায় পূর্ণ। এতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তিস্তা ও সীমান্ত চুক্তির প্রসঙ্গ তুলেছেন। তাকে নরেন্দ্র মোদি আশ্বস্ত করেছেন- বিষয়টিতে ভারত সরকার কাজ করছে। ভারতকে ট্রানজিট দেয়ার ক্ষেত্রে শেখ হাসিনা আন্তরিকতা দেখিয়েছেন। তিনি মনে করেন, মানবিক কারণে ভারতের এমন অনুরোধ রক্ষা করা উচিত। তবে ভারতকে নিয়মিত ট্রানজিট দিলে বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন করতে হবে। শেখ হাসিনা এ বিষয়টিও তুলে ধরেছেন। ভারত অবকাঠামোগুলোতে উন্নয়নে সহযোগিতা দিতে আগ্রহ দেখিয়েছে । Writer: Damien Tushar
বুধবার, অক্টোবর ১
ভারতকে ট্রানজিট দেয়ার পক্ষে শেখ হাসিনা
Tags
# রাজনীতি
# Automatic
About তারুণ্যের কণ্ঠস্বর
নব্বইয়ের আন্দোলনে আমরা যে গণতন্ত্র পেয়েছিলাম, তা ছিল শিশু। সেটার যত্ন যেভাবে নেয়া উচিৎ ছিল তার ধারে কাছেও কেউ যেতে পারে নাই। তাই গণতন্ত্র আজ বিকলাঙ্গ হয়ে পড়েছে। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে আমাদের গণতন্ত্র। তবে সময় ফুরিয়ে যায়নি। এখনো যদি আমরা সজাগ হই, যদি আমাদের মধ্যে দেশপ্রেমকে গুরুত্ব দেই, তবে এই বিকলাঙ্গ গণতন্ত্রই আবার সোজা হয়ে পথ চলতে পারবে। তবে কথা হচ্ছে, যারা এটা করতে পারবে তারাই আজ ভিন্ন পথে পরিচালিত হচ্ছে। তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক এই কামনা করি।
Automatic
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Thank you very much.