নাসা’র মতে পৃথিবীর সাথে চাঁদের দূরত্বের পার্থক্য অনুসারে এ ‘সুপারমুন’ কতটকু বড় দেখাবে সেটা নির্ভর করে। যেমন সুপারমুনের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে আমরা যে চাঁদকে দেখি, তার চেয়ে এই চাঁদ দেখতে হবে প্রায় ১৪ ভাগ বড় ও উজ্জ্বল্য হবে ৩০ ভাগ বেশি। ১৯৭৯ সালে জ্যোতির্বিজ্ঞানী রিচার্ড নোল ‘সুপারমুন’ কথাটির প্রবর্তন করেন।
[caption id="" align="alignnone" width="960"]
ছবিঃ AR.Mukul Photography[/caption]আজ রাতের আকাশে দেখা যাবে সুপারমুন। সুপারমুন নিয়ে ইদানিং আমাদের সবারই কম বেশি আগ্রহ আছে। পৃথিবীর খুব কাছাকাছি চলে আসা চাঁদের কারণে এই অন্যরকম সুন্দর পূর্ণিমা ঘিরে নানা রকম প্ল্যানও থাকে কারো কারো। নদীর পাশে প্রিয়জনের হাত ধরে বসে থাকা বা বন্ধুরা মিলে সারারাত জোছনায় ভেজা। সুপারমুন দেখার সেরা সময় হলো সন্ধ্যার ঠিক পর পর। যখন চাঁদটা ঠিক আকাশে উদয় হতে থাকে।তবে আগের দিনের নানী দাদীদের কাছে পূর্ণিমা আর অমাবস্যা নিয়ে কিন্তু ভারী কড়াক্কড় কিছু নিয়ম কানুন শুনতে পাওয়া যায়। এটা করা যাবে না, ওটা খাওয়া যাবে না। কুসংস্কার মনে হলেও, আপনার শরীরের উপর কিন্তু চাঁদের একটা প্রভাব আছে! আর পূর্ণিমা বা সুপারমুন হলে তো কথাই নেই! তবে তা অবশ্যই ভালো কিছু!
জেনে নিন আপনার শরীরের উপর সুপারমুনের অজানা অদ্ভুত চারটি প্রভাবের কথা !
১। বাচ্চা প্রসবের ক্ষেত্রে থাকতে পারে সুপার মুনের বিশাল ভূমিকা
২। এটি নারীর ঋতুস্রাবকে নিয়মিত করাতে প্রভাব রাখে
৩। এটা আপনার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে
৪। সার্জারির ক্ষেত্রে দ্রুত আরোগ্য্ঃ
Interactive Cardiovascular and Thoracic Surgery নামক জার্নালটির ২০১৩ সালের গবেষণায় দেখা গেছে, পূর্ণিমার সময় যেসব রোগীর সার্জারি বা অপারেশন হয় তারা অন্য সময়ের রোগীদের তুলনায় দ্রুত আরোগ্য হন ও তাদের মৃত্যুহার তুলনামূলক কম থাকে। পূর্ণিমার সময় হার্টের সার্জারি হওয়া রোগীরা মাত্র ১০ দিন হাসপাতালে ছিলেন, সাধারণ সময়ে সার্জারি হওয়া রোগীদের তুলনায় ৪ দিন কম! সুতরাং দ্রুত সুস্থ হতে চাঁদের দিকে ভালোবেসেই চোখ রাখুন!
সুপারমুন নিয়ে ভালোবাসা আপনার স্বাস্থ্যের জন্যেও হোক ভালো কিছু ! ভালো থাকুন !


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Thank you very much.