কেউ কেউ মনে করেন, রায়ু মণ্ডল থেকে নেমে আসা বিদ্যুৎ শক্তি নখের মাধ্যমই আমাদের শরীরে প্রবেশ করে।
তবে জটিল তত্ত্বের দিকে না গিয়ে এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক, কোন ধরনের নখ আপনার সম্বন্ধে কী তথ্য দিতে পারে।
যাদের নখে আকৃতি কিছুটা লম্বাটে ধরনের, এমন ব্যক্তি উদার, প্রগতিশীল এবং হাসিখুশি থাকে। হালকা স্বভাবের এই ব্যক্তিরা সবার সঙ্গে মিশে যেতে পারেন।
যাদের নখে আকৃতি এবং চেহারা যথেষ্ট কঠিন, এরা নিজের কথাতেই অটল থাকেন। এমনকি সেটা ভুল হলেও নিজের কথা থেকে সরে আসেন না। এরা কিছুটা রাগী প্রকৃতির হতে পারেন।
যাদের নখ লম্বা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাতলা ধরনের হয় এমন ব্যক্তির মধ্যে দৃঢ় মানসিক ক্ষমতার অভাব দেখা যায়। এরা কিছুটা ভীতু প্রকৃতির হয়ে থাকেন।
লক্ষ্য করলে দেখা যায় অনেকের নখের আকৃতি চৌক ধরনের। যাদের নখ প্রায় চৌকো, তারা বেশির ভাগ সময়ে দুর্বল চিত্তের হয়ে থাকেন। বিপরীত পরিস্থিতিতে এমন ব্যক্তি সহজেই হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এদের জীবন অনেকটাই পরিবার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে।
আর যাদের নখ দৈর্ঘ্যের তুলনায় বেশি চওড়া, এমন ব্যক্তি সহজে রেগে যান। সবার সঙ্গে সহজে মিশে যেতে পারেন না। কেউ তাদের ব্যাপারে নাক গলাক, তা-ও তারা চান না। এরা অনেক সময় একা থাকতে পছন্দ করেন।
অনেকের নখ বেশ সাদা হয়ে থাকে। এমন নখের অধিকারী ব্যক্তি স্পষ্ট বিচারের, দৃঢ় মনের, ঐশ্বর্যশালী, প্রেমী এবং পরিশ্রমী হয়ে থাকেন। এরা মূলত যুক্তি মনস্ক হয়ে থাকেন।
নখের আকৃতি ছোট এমন ব্যক্তি নিজের ব্যপারে বেশি ভাবেন। এদের বিচারধারা সংকীর্ণ।এরা রূঢ় স্বভাবের। এই ব্যক্তিরা মানুষের সঙ্গে মিশতে পারে না। সহজেই এরা ঝগড়া করে ফেলে।
আপনার দেখলেন কি ভাবে হস্তরেখার সঙ্গে সঙ্গে নখের আকৃতি, চেহারা মানুষের চরিত্রে প্রভাব বিস্তার করে।


No comments:
Post a Comment
Thank you very much.