google-site-verification: googlefee13efd94de5649.html ড্রিম হলিডে পার্ক নরসিংদী - তারুণ্যের কন্ঠস্বর

HeadLine

News Update :

শনিবার, সেপ্টেম্বর ৩০

ড্রিম হলিডে পার্ক নরসিংদী

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক লাগোয়া নরসিংদী সদর উপজেলার পাঁচদোনা এলাকার চৈতাবতে গড়ে উঠা দৃষ্টিনন্দন এই বিনোদন পার্কটি গত পাঁচ বছরে নজর কেড়েছে দর্শকদের। আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন উয়ারী বটেশ্বর ও সবুজে ঘেরা এই নরসিংদীর একমাত্র চিত্তবিনোদন কেন্দ্র হচ্ছে ড্রিম হলিডে পার্ক।
বিনোদনপ্রেমী পর্যটক ও দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করতে ড্রিম হলিডে পার্কটিকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। নতুন সংযোজন করা হয়েছে ক্যাবল কাররোলার কোস্টার,ডেমুট্রেন। সঙ্গে রয়েছে সমুদ্রের ঢেউ ও ভূতের রাজ্য স্পট।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা ড্রিম হলিডে পার্কে পাওয়া যাবে হিমালয় পাহাড়ের সাদৃশ্য। পার্ক জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ২০টি জ্যান্ত ভত দেখে! এগুলো কখনও ভয়কখনও আনন্দে মাতিয়ে রাখে শিশু-কিশোরদের। রয়েছে ওয়েবপুল। যেখানে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে কান পাতলেই শোনা যাবে সমুদ্রের গর্জন। প্রকৃতির এক অপরূপ ছোঁয়ায় মনমাতানো পাহাড়ি ঝর্ণায় আপনি হারিয়ে যেতে পারেন। নতুন এই সংযোজন পার্কের  বিনোদনকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।

প্রায় আড়াই হাজার শতাংশ জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই বিনোদন পার্কে ছোটদের জন্য রয়েছে বেশ কিছু রাইড। এছাড়াও রয়েছে অত্যাধুনিক সুইমিংপুলএয়ার বাইসাইকেলবাম্পারকারসোয়ান র্বোডওয়াটার র্বোডঅত্যাধুনিক রোলার কোস্টারডেমুট্রেন সুইং চেয়ারস্পিডবোটবাচ্চাদের অতিপ্রিয় নটিক্যাসেলজাম্পিং হর্সবসানো হয়েছে লাফার কিংসহ বিভিন্ন রাইড। পাশাপাশি তৈরি করা হয়েছে আইসপাহাড়।
আনন্দ উপভোগ করতে পার্কটিকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে নতুন আঙিকে প্রস্তুত করা হয়েছে। পার্কের ভেতরে অত্যাধুনিক মোজাইক পাথর দিয়ে তৈরি করা হয়েছে পায়ে হাঁটার অত্যাধুনিক রাস্তা। ঈদকে ঘিরে পার্কে নেওয়া হয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
দর্শনাথীদের খাবারের চাহিদা মেটাতে এখানে রয়েছে অত্যাধুনিক চাইনিজ রেস্টুরেন্টবাংলা খাবারসহ চটপটি ফুচকা ও আইসক্রিম পার্লার। পাশাপাশি রয়েছে বিখ্যাত জামদানি হাউস। পাবেন মেয়েদের থ্রি-পিসবেড শিট ও অন্যান্য জিনিসপত্র।

দর্শনার্থীদের বসার জন্য জায়গায় জায়গায় আধুনিকভাবে তৈরি করা হয়েছে পর্যাপ্ত খুপড়ি ঘর। বিনোদনের জন্য রয়েছে সঙ্গীতের নানা ধরনের উপকরণ। যে কেউ পুরো পরিবার নিয়ে নিশ্চিন্তে সময় কাটাতে পারেন এখানে। সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত প্রতিদিন খোলা থাকে এটি। পার্কে প্রবেশ করতে গুণতে হবে ২০০ টাকা। ড্রিম হলিডে পার্কে পিকনিক আয়োজন করতে চাইলে রয়েছে মধুরিমা ও মায়াবী নামের দুটি পিকনিক স্পট। 
শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ২ রুমের একটি বাংলোর ব্যবস্থা থাকছে পিকনিকের জন্য। এর পাশাপাশি রয়েছে দোতলা বাংলোর ব্যবস্থাও। পরিবার নিয়ে থাকার জন্য পার্কের নিজস্ব চারটি কটেজ রয়েছে। মূল্য পরিশোধ করে বিলাসবহুল কটেজে রাত্রিযাপন করতে পারবেন। এছাড়া নরসিংদী শহরে একাধিক আবাসিক হোটেল রয়েছে। থাকতে পারেন সেখানেও।
যেভাবে যাবেন

রাজধানী ঢাকার কমলাপুরমহাখালীসায়েদাবাদ ও গুলিস্তান থেকে বাসে করে যাওয়া যায়। ২০ মিনিট পরপর বাস পাবেন। আন্তঃনগর এগারসিন্দুর ও মহানগর গোধূলী ট্রেনেও যেতে পারেন। এ ছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রামের যেকোনো লোকাল ট্রেনে যাওয়া যেতে পারে। আন্তঃনগর ট্রেনে গেলে নরসিংদী রেলস্টেশনে নেমে সেখান থেকে বাস অথবা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় যেতে হবে। আর লোকাল ট্রেনে গেলে নরসিংদী স্টেশন ছাড়া ঘোড়াশাল স্টেশনেও নামতে পারেন। সেখান থেকে বাসে যেতে হবে।
এ ছাড়া ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে চলাচলকারী কিশোরগঞ্জব্রাহ্মণবাড়ীয়াসিলেট এর যে কোনো বাসে উঠলেই সরাসরি এ পার্কে পৌঁছানো যাবে। কিংবা কাঁচপুর অথবা টঙ্গী থেকে কালীগঞ্জঘোড়াশাল হয়ে যাওয়া যাবে অনায়াসে। এক থেকে সর্বোচ্চ দেড় ঘণ্টার যাত্রাপথ। 




৩টি মন্তব্য:

Thank you very much.