google-site-verification: googlefee13efd94de5649.html প্রিন্স মূসার সেভেন স্টার পরিবার - তারুণ্যের কন্ঠস্বর

HeadLine

News Update :

Saturday, September 6

প্রিন্স মূসার সেভেন স্টার পরিবার

প্রিন্স মূসা সপরিবারে থাকেন ঢাকার অভিজাত গুলশান এলাকায় তার সুরম্য প্রাসাদে। এই প্রাসাদে রয়েছে পুরুকার্পেট শোভিত বিশাল ড্রয়িং রুম ও ডাইনিং স্পেস। উপরে বেশ কয়েকটা মহামূল্যবান ডাউস ঝালর শোভা পাচ্ছে। প্রাসাদের প্রতিদিন নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ করার জন্য রয়েছে সুুশিক্ষিত ও সুসজ্জিত শতাধিক কর্মীর একটি দক্ষ টিম। ঐ কর্মী বাহিনী পাচতারা হোটেলগুলোর চেয়েও উন্নত মানের সার্ভিস দিয়ে থাকে। প্রিন্স মূসার ঢাকার প্রাসাদকে ঘিরে মিডিয়াতে বিভিন্ন কল্পকাহিনী প্রচারিত হয়েছে। প্রাসাদে মাঝে মাঝে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। অত্যন্ত সৌভাগ্যবান দেশী ও বিদেশী মেহমানরাই শুধু ঐ নৈশভোজগুলোতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকেন। ঐ সোভাগ্যবানদের কয়েকজনের সঙ্গে আলাপ কালে তারা উল্লেখ করেছেন প্রিন্স ও তার পরিবারের আতিথিয়েতায় তারা অত্যন্ত মুগ্ধ হয়েছেন যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। এ এক অকল্পনীয় অভিজ্ঞতা। তাই প্রিন্স মূসার পরিবারকে দেশের একমাত্র ফাইভ-স্টার ফ্যামিলি বলা হয়।



সম্প্রতি জানা গিয়েছে যে সুইস ব্যাংকে প্রিন্স মূসার জব্দ করা ৭ বিলিয়ন ডলারের উপর থেকে বিধি নিষেধ এ বছরের শেষের দিকে উঠে যাবে। এবার ঐ ৭ বিলিয়ন ডলার দেশে নিয়ে আশার ব্যাপারে প্রিন্স মূসা চিন্তা ভাবনা করছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক ৭ বিলিয়ন ডলারের ডিপোজিট বাড়ালে তা দেশের ডিজিপি তে উল্লেখ যোগ্য প্রভাব পড়বে। দেশের অর্থনীতি সুসংহত হবে। ৭ বিলিয়ন ডলার প্রাপ্তির পর ৭ সদশ্যের মূসা পরিবারকে ঘনিষ্ঠ জনেরা কি তখন সেভেন স্টার ফ্যামিলি হিসাবে আক্ষ্যায়িত করবেন?

৭ সদস্যের মূসা পরিবারে প্রিন্স মূসা ও তার স্ত্রী ছাড়া বাকি সদস্যরা হলেন -

প্রিন্স মূসার প্রথম সন্তান ন্যান্সি জাহারা বিনতে মূসা। তিনি ইউ এস এ’র ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস থেকে গ্রাজুয়েশন সমাপ্ত করেন এবং টেক্সাস স্টেট ইউনিভার্সিটি তেকে এমবিএ করেন। দ্বিতীয় সন্তান ববি হাজ্জাজ বিন মূসা ইউ এস এ’র ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস থেকে গ্রাজুয়েশন এবং অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ ডিগ্রী অর্জন করেন। শিক্ষা জীবন সমাপ্ত করে একজন সফল প্রফেসর হিসাবে কর্ম জীবনে প্রবেশ করেন। এছাড়াও তিনি একজন বিখ্যাত কলামনিস্ট হিসাবেও পরিচিত। ববি ব্যারিস্টার রাশনা ইমামের সঙ্গে বিবাগ বন্ধনে আবদ্ধ হন যিনিও এক জন অক্সফোর্ড স্কলার। এবং তৃতীয় সন্তান জুবি আজ্জাত বিন মূসা বিশ্ববিখ্যাত লিংকন্স ইন্ থেকে একজন সফল ব্যারিস্টার হিসাবে গ্রাজুয়েশন এবং ইউনিভার্সিটি অফ অলভারহ্যামপটন থেকে আন্ডার গ্রাজুয়েট ল ডিগ্রী অর্জন করেন। বর্তমানে জুবি আইন পেশাই নিয়োজিত আছেন। তিনি সুমী নাসরিনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন যিনি ডিসটিংগুইসড্ ক্যানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি থেকে গ্রাজুয়েশন সমাপ্ত করেন। গত তিন দশক ধরে প্রিন্স মূসা বিশ্বব্যাপী অভিজাত ফ্যাশন বৈচিত্রের প্রতিক হিসাবে সমাদৃত।

 প্রিন্স মূসাকে বিশ্বের ফ্যাশন ম্যাগাজিনগুলো বেশ কয়েকবার বেস্ট ড্রেস্ড ম্যান অব দ্যা ওয়ার্ল্ড হিসাবে আখ্যায়িত করেছে। প্রিন্স মূসাই বর্তমান বিশ্বের প্রথম যিনি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ডায়মন্ড জুয়েলারীর ব্যবহারের পাশাপাশি জুতাতেও ডায়মন্ড ব্যবহার করেন যাকে নিয়ে র্পথিবীর বিভিন্ন দেশে রূপকথার গল্পের মত নানান কল্পকাহিনী ছড়িয়ে আছে। ৮০’র দশকে ভারতের শীর্ষস্থানীয় পত্রিকাগুলোর মত টাইম অব ইন্ডিয়া, হিন্দ, প্রিন্স মূসা দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠ ধনী যদিও পরবর্তীতে ৯০’র দশকের পরে বিশ্বে কম্পিউটার সফ্টওয়্যারের বদৌলতে খোদ ভারতেই কয়েকজন ধনকুবেরের আবির্ভাব হয়েছে।

বিশ্বের প্রথম সারির আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসায়ী পৃথিবীর সর্বত্র বিশেষ করে পাশ্চাত্য সমাজে ’প্রিন্স অব বাংলাদেশ’ বলে খ্যাত। বিশ্বনন্দিত ধনকুবের আর কেউ নন, তিনি ড. মূসা বিন শমশের যাকে বিশ্বের সর্বোচ্চ মহল ও দরবারে ’প্রিন্স মূসা’ বলেই সম্বোধন করা হয়।

No comments:

Post a Comment

Thank you very much.