সময়ের ক্রমবর্ধমানে এরাও নিজেদের লেবাস বদলে ফেলে । এরা শকুনি গোত্রের ,অতীতে যেমন ছিলো বর্তমানেও এরা আছে । বারেবারে এই শকুনিরা বিষাক্ত নখের আঁচড় কেটে রক্তাক্ত করেছে বাংলা মায়ের বুক । এরা এখন বাংলাদেশের সীমানা গ্রাস করার জন্য উদ্যত । এই শকুনি দালালেরা বাংলাদেশের কলঙ্ক এবং ডিজিটাল যুগের ভাইরাস ।
বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের সমাহার বাংলাদেশে । ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রে ভিন্ন হলেও ভাষা এবং জাতিসত্ত্বায় আমরা এক ও অভিন্ন । ভাষা আমাদের বাংলা, জাতীয়তায় সকলেই আমরা বাংলাদেশী ।
সকল দ্বিধাহীনতার ঊর্ধ্বে উঠে আসুন দেশের ক্ষেত্রে সকলে একই পতাকাতলে একতাবদ্ধ হই । নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য দেশের সাধারন মানুষকে দুঃখ - কষ্ট দেওয়ার অধিকার আপনাদের কোন রাজনৈতিক দলেরই নাই । যদি দেশের মানুষকে শান্তি দিতে না - ই পারেন, তবে দুঃখ - কষ্টের বোঝা জনসাধারণের কাঁধে না চাপিয়ে আপনারা রাজনীতি ছেড়ে দিন । এই বাংলাদেশ কারো বাবার বা স্বামীর সম্পত্তি না যে উত্তরাধিকার সূত্রে যুগের পর যুগ আপনারা অপশাসন করে যাবেন । ১৯৭১ সালে দেশের অপামর জনসাধারণের এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আজকের এই স্বাধীনতা ।
পরিশেষে আমি এইটুকু বলতে চাই - দেশের কিভাবে উন্নয়ন ও উন্নতি হবে সেদিকে খেয়াল না দিয়ে আপনারা চুলাচুলিতে মত্ত আছেন । যখন যেই দল ক্ষমতায় আসেন আপনারা নিজেদের সুবিধা মত করে বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীনতার ইতিহাসকে বিকৃত করেন । একদল আছেন জাতির পিতা নিয়ে তো অন্যদল স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে । আমি জাতির পিতা এবং স্বাধীনতার ঘোষক বিতর্ক মানতে নারাজ । এর পিছনে আমার যুক্তি হলোঃ " বাংলাকে যদি আমি মা মেনে নেই, তবে ১৯৭১ সালের সময়টা ছিলো আমার পিতা । আর ১৯৭১ সালের সময়ের দাবীটাই ছিলো স্বাধীনতার ঘোষণা বা ঘোষক " ।
নিজেদের মতামত জনগনের ঘাড়ে চাপিয়ে না দিয়ে আসুন সকলে আবার ১৯৭১ এর দীক্ষায় দীক্ষিত হয়ে দেশ গড়ার কাজ মনোনিবেশ করি । তা না হলে এই বীরের জাতি আবার গর্জে উঠবে , প্রয়োজনে ৭১ এর হাতিয়ার নিয়ে ঝাপিয়ে পড়বে জুলুমের বিরূদ্ধে । তখন দাদা বাবু, আর পেয়ারে ভাইজানেরা বাঁচাতে পারবে না । তাই সাধু সাবধান !!!
সকল দ্বিধা - দ্বন্দ্ব , হিংসা - বিদ্বেষ, হানাহানি ভুলে
ধুইয়ে মুছে এক হয়ে দাড়াই জনতার কাতারে
প্রিয় বাংলাদেশ বেঁচে থাকুক হাজার বছর
জয়ধ্বনি ধ্বনিবেই এই এ যে তারুণ্যের কণ্ঠস্বর ।


No comments:
Post a Comment
Thank you very much.