google-site-verification: googlefee13efd94de5649.html ছবি তোলার কত বাহার - তারুণ্যের কন্ঠস্বর

HeadLine

News Update :

Friday, September 26

ছবি তোলার কত বাহার

টেলিভিশন কিংবা ইন্টারনেটের বদৌলতে বন্য প্রাণী দেখতে পাওয়া আজ আমাদের জন্য নতুন কিছু না।  তার পরও পৃথিবীতে এমন অনেক জায়গা আছে, যেখানে এখনো পা পড়েনি। এমন দুর্গম এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিবিড়ভাবে বন্য প্রাণীর ভিডিও ধারণ করা হবে কীভাবে ?

পাখি যখন চিত্রগ্রাহক
টেলিভিশন কিংবা ইন্টারনেটের বদৌলতে বন্য প্রাণী দেখতে পাওয়া আজ আমাদের জন্য নতুন কিছু না। তার পরও পৃথিবীতে এমন অনেক জায়গা আছে, যেখানে এখনো পা পড়েনি।  এমন দুর্গম এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিবিড়ভাবে বন্য প্রাণীর ভিডিও ধারণ করা হবে কীভাবে? পাখিদের ওপর তৈরি চলচ্চিত্র উইংস থ্রিডির নির্মাতা ও পরিচালক জন ডাউনারের সরল উত্তর, ‘চলমান যেকোনো কিছুর সঙ্গে আমরা ক্যামেরা সেঁটে দিই!’ সত্যি তাই, পাখিদের চিত্র ধারণে মানুষ তো ছিলই, পাশাপাশি ব্যবহার করা হয়েছে প্রশিক্ষিত পাখি। ক্যামেরা লাগিয়ে এই পাখিগুলোকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল অভয়ারণ্যের মতো অঞ্চলে চিত্র ধারণের জন্য। এর আগে বাঘের ছবি তোলায় ডাউনার ক্যামেরা বসিয়েছিলেন হাতির পিঠে। উদ্দেশ্য একটাই, বন্য পরিবেশ বজায় রাখা।
সারা বছর আকাশের ছবি তোলা হয়েছেসারা বছর আকাশের ছবি তোলা হয়েছে
আকাশের রহস্যভেদে অনেক আগে থেকেই মানুষ নানা অভিযানে গেছে, অনেক রহস্যের সমাধানও করেছে। তার পরও মানুষের আগ্রহের সীমা নেই। এমনই একজন মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার কম্পিউটার প্রোগ্রামার কেন মারফি। প্রতি ১০ সেকেন্ড অন্তর আকাশের ছবি তোলার ব্যবস্থা করেন তিনি। এভাবে তাঁর ক্যামেরায় পুরো এক বছর স্বয়ংক্রিয়ভাবে আকাশের ছবি তোলা হয়েছে। মোট কতগুলো ছবি উঠেছিল? ৩০ লাখের বেশি! পরে সব চিত্র কোলাজ আকারে ভিডিওর মাধ্যমে প্রকাশ করলে তা আবহাওয়ার ধরন বুঝতে সাহায্য করে।

সহজে জলের নিচে চিত্রগ্রহণসহজে জলের নিচে চিত্রগ্রহণ
অনেক দিন ধরেই মানুষ জলের নিচের চিত্র ধারণ করে আসছে। এই চিত্র ধারণে সাধারণত দুই ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এক, ডিএসএলআর ক্যামেরায় পানি-নিরোধক খোলস ব্যবহার করে, যা ব্যয়বহুল এবং ক্যামেরাকে অনেক ভারী করে তোলে। দুই, সাধারণ মানের পানি-নিরোধক ক্যামেরা ব্যবহার করা। এতে আবার ছবির মানও হয় সাধারণ। উপায়? নাইকন ১ এডব্লিউ১-এর মতো ক্যামেরায় কিন্তু এই ঝামেলা নেই। প্রয়োজনমতো লেন্স পরিবর্তনের সুযোগ যেমন আছে, তেমনি পানি ঢুকে যাওয়া থেকে রক্ষার জন্য জোড়ার অংশগুলোতে রাবারের আবরণ দেওয়া আছে।
ক্যামেরা চোখের মণিতেক্যামেরা চোখের মণিতে
গুগল গ্লাসের সঙ্গে এখন মোটামুটি অনেকেই পরিচিত। বেশ মজার জিনিস বটে। চশমা পরামাত্র চোখের সামনে কম্পিউটারের পর্দা ভেসে ওঠে! গুগল কিন্তু এবার আরেক ধাপ এগিয়েছে। এবার আর চশমায় না, বরং চোখের মণিতে ক্যামেরা যোগ করার পাঁয়তারা করছে তারা! ভয় নেই, মণিতে ক্যামেরা ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে না। কন্টাক্ট লেন্সে অতি ক্ষুদ্রকায় ক্যামেরা যোগ করা হবে, যা চোখের মণির ঠিক ওপরেই থাকবে। আপনি যা দেখবেন ক্যামেরার লেন্স সেদিকেই তাক করা থাকবে, তবে দৃষ্টিসীমায় কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না। সঙ্গে থাকা সেন্সর চোখের পলক পড়ার ধরনের ওপর ভিত্তি করে চিত্র ধারণের নির্দেশ গ্রহণ করবে। গুগলের এই প্রকল্প অবশ্য এখন পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আছে। অদূর ভবিষ্যতে এমন ক্যামেরা যে মানুষের ক্রয়ের সাধ্যে আসছে, তা সহজেই অনুমেয়।
অাগের ভিডিওচিত্র ধারণঅাগের ভিডিওচিত্র ধারণ
মানুষের জীবনে পরিধানযোগ্য প্রযুক্তির ব্যবহার ধীরে ধীরে বেড়েই চলেছে। সেখানে ক্যামেরা যুক্ত হয়েছে অনেক আগেই। নজরদারির জন্য এ ধরনের ক্যামেরা বিশেষ উপযোগী। তবে অনেক ক্ষেত্রে ব্যাপারটা এমন হয় যে চিত্র ধারণের নির্দেশ দিতে দিতে ঘটনার বিশেষ কিছু বাকি থাকে না। তাহলে উপায়? দিনরাত সারাক্ষণ সচল ক্যামেরা নিয়ে তো আর ঘোরা যায় না। একদিকে ব্যাটারির সীমাবদ্ধতা, অপরদিকে মেমরিতেও পড়বে টান। টেজার নামের এক প্রতিষ্ঠান এমন ক্যামেরা তৈরি করেছে যাতে চিত্র ধারণের নির্দেশ দিলে ৩০ সেকেন্ড পূর্বে থেকে চিত্র ধারণ শুরু হবে! ভাবছেন, তা কী করে সম্ভব? সম্ভব, কারণ ক্যামেরাটি সর্বক্ষণ প্রতি ৩০ সেকেন্ডের চিত্র ধারণ করতে থাকে। প্রয়োজন না হলে তা মেমরি থেকে মুছে ফেলে। অ্যাক্সন নামের ক্যামেরাটি প্রয়োজনমাফিক বুকে কিংবা চশমায় যুক্ত করা যায়।

চারপাশের ছবি তোলাচারপাশের ছবি তোলা
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ক্যামেরার ব্যবহার এত বেশি যে ‘ক্যামেরার চোখে দেখা’ নামে একটা কথা শোনা যায় হরহামেশা। কিন্তু ধারণ করা ছবি আর চর্মচক্ষুর দেখা কি এক? ১০০ শতাংশ উত্তরই হবে, না। মানুষ পারিপার্শ্বিক পরিবেশের পুরোটা দেখতে পারে একসঙ্গে। ৩৬০ফ্লাই নামের নতুন এক ক্যামেরা নাকি সেই কাজটাও করতে পারবে অনায়াসে! ১৬ বছর ধরে প্যানারোমিক ছবি তোলার ক্যামেরা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আইসি৩৬০-এর তৈরি এই ক্যামেরাটি কোনো রকম নড়াচড়া ছাড়াই চারদিকে ৩৬০ ডিগ্রি এবং ওপর-নিচে ২৪০ ডিগ্রি কোণ পর্যন্ত চিত্র ধারণ করতে পারে! স্বাভাবিকভাবেই এই ক্যামেরায় ধারণ করা চিত্র দেখে মনে হতে পারে যেন নিজের চোখেই দেখা!

No comments:

Post a Comment

Thank you very much.