google-site-verification: googlefee13efd94de5649.html জন্ডিসের সঙ্গে চুলকানি ? - তারুণ্যের কন্ঠস্বর

HeadLine

News Update :

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৬

জন্ডিসের সঙ্গে চুলকানি ?

জন্ডিসের কারণ সব সময় যকৃতের সমস্যা বা হেপাটাইটিস ভাইরাস সংক্রমণ নয়। পিত্তথলি থেকে পিত্তরস ঠিকমতো বের হতে না পারলেও জন্ডিস হতে পারে। একে বলা হয় অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিস। এই জন্ডিসে ত্বকে হতে পারে অসহনীয় চুলকানি।
আমাদের যকৃতের প্রায় গায়ে গায়ে লেগে রয়েছে পিত্তথলি। এর কাজ পিত্তরস তৈরি করা, যা পিত্তনা​িল বেয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রথম অংশ ডিওডেনামে পৌঁছে পাকরসের সঙ্গে মিশে যায় ও খাবার হজম করতে সাহায্য করে। পিত্তরসের এই চলমান পথে কোথাও বাধার সৃষ্টি হলে বিলিরুবিন বেড়ে যায়, চোখ ও ত্বক হলুদ হয়ে যায় এবং জন্ডিস দেখা দেয়। একেই বলে অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিস।

কারণ
পিত্তথলিতে পাথর, প্রদাহ বা সংক্রমণ, পিত্তনালিতে সংকোচন বা পাথর, পিত্তথলি বা অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার, অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ বা সংক্রমণ, পিত্তথলি বা পিত্তনািলর জন্মগত ত্রুটি বা সিস্ট বা অস্ত্রোপচারজনিত সমস্যা
এমনকি পিত্তনালিতে কৃমি আটকে গিয়ে বন্ধ হয়েও এমন সমস্যা তৈরি করতে পারে।  
উপসর্গ

অন্যান্য জন্ডিসের মতোই ত্বক, চোখ, জিভের িনচ বা প্রস্রাব হলুদ রং ধারণ করে। জ্বর, অরুচি, বমি ভাব, বমি থাকতে পারে। তবে বিশেষভাবে এ ধরনের জন্ডিসে পেটব্যথা থাকতে পারে, সঙ্গে প্রচণ্ড চুলকানি। মল পাতলা, দুর্গন্ধযুক্ত বা মেটে রঙের হতে পারে।



চিকিৎসাও ভিন্ন

সাধারণ ভাইরাসজনিত জন্ডিসে পূর্ণ বিশ্রাম, সহজপাচ্য খাবার ও দু-একটি বমির ওষুধই চিকিৎসা। অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিসে কিন্তু তা নয়। এ ক্ষেত্রে কারণটি দূর করার পদক্ষেপটি জরুরি। নয়তো বারবার এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই প্রথমেই দরকার কারণ নির্ণয়—পিত্তরসের পথে বাধাটা কোথায় ও কী? তারপর চিকিৎসা।



১. পিত্তথলিতে পাথর হলে তা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করা যায়, সংক্রমণ বা প্রদাহের ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা দরকার হয়।



২. পিত্তনালিতে পাথর থাকলে ইআরসিপি একটি কার্যকর পদ্ধতি, যাতে অস্ত্রোপচার না করে এন্ডোস্কোপির মাধ্যমে পাথর বা বাধা অপসারণ করা যায়।



৩. অগ্ন্যাশয়ের মাথার দিকে টিউমার বা ক্যানসার হলে জটিল অস্ত্রোপচারের দরকার হয়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Thank you very much.