google-site-verification: googlefee13efd94de5649.html শাস্তি কমল আশরাফুলের - তারুণ্যের কন্ঠস্বর

HeadLine

News Update :

Monday, October 6

শাস্তি কমল আশরাফুলের

মাঠে ফিরতে পারেন ২০১৬ সালেই


অন্ধকার সুড়ঙ্গে ঢুকে পড়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছিল, ক্যারিয়ারের জীবন্ত কবর হবে সেই সুড়ঙ্গেই। তবে সুড়ঙ্গের মাথায় এখন আলো দেখতেই পারেন মোহাম্মদ আশরাফুল। মিটমিটে আলো নয়, বেশ স্পষ্ট আলোর রেখা। আপিল আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আশরাফুলের শাস্তি তিন বছর কমিয়েছে বিসিবির ডিসিপ্লিনারি প্যানেল। তিন বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞাসহ আগের শাস্তি ছিল আট বছর, সেটা কমে এখন হয়েছে পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা। যার দুই বছর স্থগিত নিষেধাজ্ঞা, মানে মূল নিষেধাজ্ঞা তিন বছরের। এই সময়ের মধ্যে যদি আর কোনো অনৈতিক কাজে না জড়ান, তাহলে ২০১৬ সালের ১৩ আগস্ট শেষ হবে আশরাফুলের নিষেধাজ্ঞা। তখন বয়স হবে ৩২, আশরাফুলের ক্যারিয়ার পুনরুজ্জীবনের আশা তাই এখন বাস্তব সম্ভাবনা।

আশরাফুলের শাস্তি কমেছে তাঁর করা আপিলে। একটা আপিলে জয় হয়েছে বিসিবিরও। আশরাফুলের দল ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরসের স্বত্বাধিকারী সেলিম চৌধুরীকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে ১০ বছরের জন্য। গ্ল্যাডিয়েটরসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সেলিম চৌধুরীর ছেলে শিহাব জিসান চৌধুরীর ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞাও বহাল রয়েছে, তবে আপিল করে মওকুফ পেয়েছেন ২০ লাখ টাকা জরিমানা।  

লঙ্কান অলরাউন্ডার কৌশল লোকুয়াচ্চির নিষেধাজ্ঞা দেড় বছর থেকে কমে হয়েছে এক বছর।
গত বছরের মে মাসে আইসিসির দুর্নীতি দমন ও নিরাপত্তা বিভাগের (আকসু) তদন্ত দলের জিজ্ঞাসাবাদে বিপিএলের দ্বিতীয় আসরে ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন আশরাফুল। গত ১৮ জুন তিন বছরের স্থগিতসহ আট বছরের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় সাবেক বাংলাদেশ অধিনায়ককে। পরের মাসেই শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করেন আশরাফুল। তাঁর শাস্তি শুরু হয়েছিল ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট থেকে, স্থগিত নিষেধাজ্ঞা বাদ দিলে তাই ২০১৬ সালের ১৪ আগস্ট থেকে আবার মাঠে নামতে পারবেন বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি (২৫৯) আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা ব্যাটসম্যান। আশরাফুল ব্যক্তিগত কাজে এখন রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে।
আপিলের রায়েও কেউ অসন্তুষ্ট হলে নিয়ম অনুযায়ী এখন যেতে পারবেন সুইজারল্যান্ডের লুসানে কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টসে (সিএএস)। আপিল করতে হবে ২১ দিনের মধ্যে। সেলিম চৌধুরীর শাস্তি হওয়ায় আর শিহাব চৌধুরীর শাস্তি বহাল থাকায় আপিলের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে আইসিসি ও বিসিবি। তবে সংস্থা দুটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, কোর্ট অব আরবিট্রেশনে আপিল করা হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে পরে।

বিপিএলে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগে মোহাম্মদ আশরাফুলকে আট বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে গত ১৮ জুন রায় দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ট্রাইব্যুনাল। দ্বিতীয় বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া সব ধরনের ক্রিকেটেই এ শাস্তি পেয়েছিলেন তিনি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আশরাফুলকে ভোগ করতে হবে আরও চার বছরের শাস্তি। তবে আশরাফুল ট্রাইব্যুনালের শর্ত মানলে শেষ দুই বছর শাস্তি মওকুফ হতে পারে। তাতে ২০১৬ সালের ১৩ আগস্ট বা তারপর ক্রিকেটে ফিরতে পারেন বাংলাদেশ দলের সাবেক এ অধিনায়ক। শর্ত হলো, এ সময়ে আইসিসি, এসিসি এবং বিসিবির আওতাধীন দুর্নীতিবিরোধী শিক্ষা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে তাঁকে অংশ নিতে হবে।
আশরাফুলের বিরুদ্ধে আনা চারটি অভিযোগের চারটিই প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে বলেছিলেন বিসিবির ট্রাইব্যুনাল। বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী নীতিমালার ৬.২ ও ৬.৪ ধারা অনুযায়ী আশরাফুলকে শাস্তি দেওয়া হয়।

No comments:

Post a Comment

Thank you very much.