ব্রকোলি :
অত্যাধিক ধূমপানের ফলে শরীরে মজুত ভিটামিন সি-র পরিমাণ কমে যায়। ব্রকোলিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামন সি এবং বি৫ থাকে যা শরীর থেকে নিকোটিনের প্রভাব কম করতে সাহায্য করে।
কমলালেবু :
কমলালেবুতেও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে যা নিকোটিন ফ্লাশ আউট করতে সাহয্য করে এবং মেটাবলিজিমও বাড়ায়।
গাজরের রস :
নিকোটিন ত্বকের ক্ষতি করে। অন্যদিকে গাজর ত্বকের জন্যে খুব উপকারী। তাছাড়া গাজরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, কে এবং বি থাকে যা শরীর থেকে নিকোটিন সরাতে সাহায্য করে।
পালং শাক :
পালং শাকে মজুত ফলিক অ্যাসিড শরীর থেকে নিকোটিন দূর করতে খুবই উপকারী।
কিউয়ি :
এই ফলকে মিরাকেল ফল বললেও অত্যুক্তি হবে না। এতেও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি এং ই, যা নিকোটিনের লেভেল কমাতে সাহায্য করে।
পানি :
ধূমপানের ফলে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে যায়। ডিহাইড্রেশনের মোকাবিলায় এবং শরীর থেকে নিকোটিন নির্মুল করতে পানির কোনও বিকল্প নেই।


No comments:
Post a Comment
Thank you very much.