google-site-verification: googlefee13efd94de5649.html সাকিবকে পেয়ে খুশি মাশরাফি - তারুণ্যের কন্ঠস্বর

HeadLine

News Update :

Thursday, October 2

সাকিবকে পেয়ে খুশি মাশরাফি

সহ-অধিনায়ক হয়ে কি তাহলে খুশি হননি সাকিব আল হাসান আর তামিম ইকবাল! প্রশ্নটা আসছে কারণ, কোনো ক্রিকেট বোর্ড কাউকে অধিনায়ক, সহ-অধিনায়ক করলে একটা আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া তাঁদের কাছ থেকে জানা যায়ই। মাশরাফি বিন মুর্তজা যেমন ওয়ানডে অধিনায়ক হয়ে পরশুর পর কালও প্রতিক্রিয়া জানালেন। কিন্তু টেস্টের সহ-অধিনায়ক তামিম এবং ওয়ানডের সহ-অধিনায়ক সাকিব কাল পর্যন্ত এ নিয়ে একেবারেই নিশ্চুপ!

কাল কুয়েতের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে বাংলাদেশি সাংবাদিকেরা তামিমের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি কিছু বলবেন না বলে চলে যান। কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে রাজি হননি সাকিবও। এটুকু পড়লে হয়তো মনে হবে বোর্ডের সিদ্ধান্তে তাঁরা খুশি হননি। বাস্তবে তা নয়। সংবাদমাধ্যমের কাছে প্রতিক্রিয়া না জানিয়ে পরিস্থিতিকে রহস্যময় করে তুলতে চাইলেও আদতে দুজনই নাকি বেজায় খুশি সহ-অধিনায়ক হয়ে। গেমসে ভিলেজে তাঁদের চোখে-মুখে সে খুশির আভা দেখছেন অনেকেই। আর বোর্ডও দুজনের সঙ্গে পর্যাপ্ত আলাপ-আলোচনা করেই নিয়েছে এই সিদ্ধান্ত। 
মাশরাফি অবশ্য পরশু দিনই তাঁর ওপর আবারও আস্থা রাখার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বোর্ডের প্রতি। কাল ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনে প্রসঙ্গটা উঠলে আবারও সে কথাই বললেন। সঙ্গে জানালেন, ‘বাংলাদেশ দলের অধিনায়কত্ব করা সব সময়ই বিশেষ কিছু। আমার ওপর যেহেতু আস্থা রাখা হয়েছে, ইনআশাল্লাহ চেষ্টা করব নিজে ভালো খেলার এবং দলকে ভালো ফলাফল এনে দেওয়ার। এটা বড় দায়িত্ব, আশা করি আমি এবার ভালোভাবে করতে পারব।’
এর আগে ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব পেয়েছিলেন মাশরাফি। কিন্তু তাঁর এমনই দুর্ভাগ্য যে প্রথম টেস্টেই চোট পেয়ে লম্বা সময়ের জন্য ছেড়ে যান মাঠ। পরে নেতৃত্ব ওঠে সাকিবের কাঁধে। নতুন করে অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর সেই স্মৃতিটাও ফিরে আসছে মাশরাফির কাছে, ‘কিছু ভয় অবশ্যই থাকে...যেটা আমার ক্ষেত্রে হয়েছে সব সময়। সুযোগ পেয়েও চোটের জন্য অধিনায়কত্ব করতে পারিনি। সে জন্য একটা ভয় থেকেই যায়।’ তবে মাশরাফি আত্মবিশ্বাসী, এবার আর সে রকম কিছু হবে না, ‘আমার মনে হয় না কোনো সমস্যা হবে। এর আগে দুবার ইনজুরি হয়েছে, সবাই চিন্তাও করে ওটা নিয়ে। আমারও মাথায় থাকে। তবে চোটমুক্ত থাকার জন্য আমি সব সময়ই কিছু জিনিস মেনে চলার চেষ্টা করি। তার পরও ইনজুরি হলে তো কিছু করার নেই। আমি এই জিনিসগুলো এখনো মেনে চলব এবং খেলব ইনআশাল্লাহ।’
ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি ডেপুটি হিসেবে পেয়েছেন সাকিবকে। সাকিব এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিন আর না দিন, তাঁকে সঙ্গে পেয়েই বোধ হয় সবচেয়ে বেশি খুশি মাশরাফি, ‘সম্ভবত সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ই সহ-অধিনায়ক হয়েছে। সাকিব সহ-অধিনায়ক হওয়ায় আমার জন্য কাজট অনেক সহজ হবে। তবে দলকে সাহায্য করতে সহ-অধিনায়ক বা অধিনায়ক হতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। একজন খেলোয়াড় সব সময়ই পারে দলকে অনুপ্রাণিত করতে।’

No comments:

Post a Comment

Thank you very much.